img1
img2
আমের তালিকা

শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্য, আমাদের কাছে প্রায় ১০০+ জাতের আম রয়েছে। কিন্তু কাষ্টমারের চাহিদা ও আমের গুনমান বিচার করে আমরা খুব সামান্য পরিমান আম সরাবরাহ করে থাকি। তবে বিশেষ কোন চাহিদা থাকলে আমরা যেকোন আম সরাবরাহ করতে সক্ষম। নিচের তালিকা থেকে আপনি আপনার আমটি পছন্দ করুন।

New
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ... চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ...

চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত ল্যাংড়া আম

৳90

New
নাগ ফজলি আম... নাগ ফজলি আম...

নাগ ফজলি আম

৳75

New
নওগাঁর বিখ্যাত  নাগ ... নওগাঁর বিখ্যাত  নাগ ...

নওগাঁর বিখ্যাত নাগ ফজলি আম!

৳85

রাজশাহীর বিখ্যাত গোপ... রাজশাহীর বিখ্যাত গোপ...

রাজশাহীর বিখ্যাত গোপালভোগ আম

৳90

রাজশাহীর কিষানভোগ আম...

রাজশাহীর কিষানভোগ আম

৳90

New
আমরুপালি আম ... আমরুপালি আম ...

আমরুপালি আম

৳85

মোহনভোগ আম ... মোহনভোগ আম ...

মোহনভোগ আম

৳110

New
রাজশাহীর বিখ্যাত আম্... রাজশাহীর বিখ্যাত আম্...

রাজশাহীর বিখ্যাত আম্রপালি আম

৳90

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোপ... চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোপ...

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোপালভোগ আম

৳90

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সুস... চাঁপাইনবাবগঞ্জের সুস...

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সুস্বাদু গোপালভোগ আম

৳96

New
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সুম... চাঁপাইনবাবগঞ্জের সুম...

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সুমিষ্ট হিমসাগর আম

৳95

New
কিষান ভোগ আম... কিষান ভোগ আম...

কিষান ভোগ আম

৳70

New
রংপুরের বিখ্যাত হাড়... রংপুরের বিখ্যাত হাড়...

রংপুরের বিখ্যাত হাড়িভাঙ্গা আম

৳120

New
হাড়িভাঙ্গা আম... হাড়িভাঙ্গা আম...

হাড়িভাঙ্গা আম

৳110

New
রাজশাহীর বিখ্যাত হিম... রাজশাহীর বিখ্যাত হিম...

রাজশাহীর বিখ্যাত হিমসাগর আম

৳90

আমাদের প্যাক সমুহ

        আমরা আমের আধুনিক স্মার্ট প্যাক ব্যাবহার করে থাকি। এটির উদ্ভাবক আমরা এবং আমরাই এর সত্ব সংরক্ষন করি।

বিশেষ এই প্যাকটিতে আম ৬দিন পর্যন্ত নিরাপদ থাকে। এটি কুরিয়ার বান্ধব এবং অধিক চাপ সহ্য করার ক্ষমতা রাখে।

১০ কেজি ফ্যামেলি প্যাক

 ১০ কেজি আমের প্যাকের কুরিয়ার খরচঃ ৳২০০ টাকা। এর সাথে আমের দাম যোগ হবে। ঢাকনা সহ ক্রেট টি ফ্রি।

১৫ কেজি ফ্যামেলি প্যাক

  ১৫ কেজি আমের প্যাকের কুরিয়ার খরচঃ ৳৩০০ টাকা। এর সাথে আমের দাম যোগ হবে। ঢাকনা সহ ক্রেট টি ফ্রি। 

img2

২০ কেজি ফ্যামেলি প্যাক

  ২০ কেজি আমের প্যাকের কুরিয়ার খরচঃ ৳৪০০ টাকা। এর সাথে আমের দাম যোগ হবে। ঢাকনা সহ ক্রেটটি ফ্রি। 

img2

অর্ডার

আমাদের কাছে আম কেনার পদ্ধতি

আমাদের ওয়েব পোর্টালে আপনার পছন্দনীয় আম টি সম্পর্কে আগে ভালো করে জানুন।

সরাসরি আমাদের হট লাইন নাম্বারে ফোন করে আমটির প্রাপ্ততা ও দাম নিশ্চিত করুন।

ইনভয়েস বা বিল পাবার পর আমাদের পেমেন্ট মাধ্যম ব্যাবহার করে অগ্রীম বিল পরিশোধ করুন।

আপনার পছন্দের আমটি হাতে পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

আমাদের সরাসরি কল করুন

01810 023 547

01810 023 549


আম কেনার পর করনীয়

আমগুলো গাছ থেকে নামানো হতে ট্রান্সপোর্ট বা কুরিয়ার পয়েন্টে পৌছানো পর্যন্ত আমাদের তত্ত্বাবধানে থাকে। এর পর এটা একরকম আমাদের আয়ত্ত্বের বাইরে চলে যায়। আর আম সিজনে কুরিয়ার সার্ভিস গুলো অতিরিক্ত চাপের কারনে তাদের সেবার মান ঠিক রাখতে পারেনা। ফলে আমগুলো হাতে পেতে একদিকে যেমন দেরি হয়, অন্যদিকে আমগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হবার সম্ভাবনাও থাকে।

তাই আমগুলো হাতে পাবার পর নিন্মের বিষয়গুলো অতি যত্নের সাথে খেয়াল করুন:

আমগুলো হাতে পাবার পর সবার আগে কি করবেন?

কেমিক্যাল বিহীন আম গুলো অনেক সংবেদনশীল হয়। তাই উপযুক্ত সংরক্ষনের অভাবে আমগুলো আংশিক বা পুরোপুরি নষ্ট/পঁচে হয়ে যেতে পারে। তাই নিম্নে বর্নিত কিছু বিষয় অবশ্যই নজরে আনা দরকার:

১. আম গুলো হাতে পাবার পর যত দ্রুত সম্ভব আম গুলোকে কাটুন বা ক্যারেট থেকে বের করে ফেলতে হবে । আমের গায়ে ভেজা বা আদ্র ভাব দেখলে ফ্যানের বাতাসে শুকিয়ে তা আদ্রমুক্ত করতে হবে। ভেজা ঘামযুক্ত আমে এন্থ্রাকজন নামক ছত্রাক খুব সহজেই আক্রমন করে।
২. এর পর পরিষ্কার খড়/পাটের বস্তা/কাঠের তক্তা / মোটা পেপার বা কাটুন বিছিয়ে তার উপরে আম রাখাতে হবে । নিচের ঠান্ডা আবহাওয়া আম কে আধাপাকা-আধাকাঁচা করতে সাহায্য করে। ফলে আমগুলো টক ও খাওয়ার অযোগ্য হয়ে যায়। আম পাকার জন্য গরম এরং শুষ্ক ঘর বেছে নিন। এক্ষেত্রে বদ্ধ স্টোর রুম সবচেয়ে ভালো হতে পারে।
৩. পরিবহনের কারনে আঘাতপ্রাপ্ত আম গুলো আলাদা করে ফেলতে হবে । কারন এগুলো সবার আগে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
৪. আম পাকানোর জন্য AC রুম বা খোলা বারান্দা পরিহার করুন।
৫। আম গুলো দিনে কয়েকবার চেক করুন। চেক করতে আঙ্গুলের চাপ দিবেন না। ঠোঁকা দিয়ে পরীক্ষা করুন। টক-টক শব্দ মানে কাঁচা, ঠস-ঠস শব্দ মানে পাকা। নাকের সাহায্য নিন। ফরমালিন মুক্ত পাকা আমের একটা মনকাড়া সুন্দর সুগন্ধ আছে। আম পেকে গেলে দ্রুত খেয়ে ফেলুন। পাকা আম পঁচতে মাত্র কয়েকঘন্টা সময় লাগে।
৬। মিষ্টি আমগুলো কাঁচা অবস্থায় খুব বেশি টক থাকে । তাই আম পাকার সঠিক সময়ের আগে খেলে আমগুলো অবশ্যই টক লাগবে ।
৭। প্রয়োজনের বেশি আম পেকে গেলে আমের বোঁটা/মুখ কেটে পলিথিনে পুরে ফ্রিজে নরমালে রেখে দিন। ৫-৭ দিন স্বাভাবিক থাকবে। তবে সাবধান, বেশি দিন হলে পাল্ব/জুস হয়ে যাবে।
৮। কোন সমস্যা হলে সংকোচ ছাড়া সরাসরি ফোন দিন: ০১৮৮২৭৩০.৫৫৫ নাম্বারে।

 লক্ষ্য করুন 

১। আম গুলোকে পানিতে ধুবেন না বা “হট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট” করবেন না। এতে আমগুলো ঠিকমত পাকবেনা।
২। বাক্স, বালতি, ক্যারেটের মধ্যে বা আমের উপর আম গাদা রেখে আম পাকাতে দিবেন না।
৩। ঠান্ডা মেঝের উপর সরাসরি আম পাকাতে দিবেন না। এতে আমের অংশ বিশেষ কাঁচা থাকবে।
৪। আমের আঠা শরীরে লাগলে সাথে সাথে পানি/সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৮/১০ মিনিটেই এটা ক্ষত সৃষ্টি করে ফেলতে পারে। চোখে পড়লে ভয় পাবার কিছু নাই, সাথে সাথে পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আরও শঙ্খামুক্ত হতে চাইলে পানি সহ বড় বালতিতে মুখ ডুবিয়ে পানির মধ্যে কয়েকবার চোখ খোলা-বন্ধ করতে থাকুন। ক্ষতির আশংকা দেখলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
৫। প্রয়োজনের বেশি আম পেকে গেলে আমগুলো ফ্রিজে রেখে দিন। সম্ভব না হলে আমের খোসা ছড়িয়ে আঠি ফেলে পাল্ব (আমের খাদাংশ) বানিয়ে ফ্রিজে রাখুন। পরে জুস/আমসত্ব বানানো যাবে। বড় প্লেট/বোল/হাঁড়িতে তেল মাখিয়ে তার উপর পাল্ব ঢেলে রোদে বা গ্যাসে শুকালেই আমসত্ত তৈরি হয়ে যায় যা বছরজুড়ে খাওয়া যায়।
৬। যেহেতু আমরা আমে কোন কেমিক্যাল ব্যাবহার করি না, তাই সামান্য কিছু আম ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। এটাকে স্বাভাবিক মনে করুন। আধাপাকা, আঘাতপ্রাপ্ত, নষ্ট আমগুলোর ভালো অংশগুলোকে ফেলে দিবেননা। এগুলোকে গরম পানিতে সিদ্ধ করে পাকা আমের ন্যায় পাল্ব তৈরি করুন। মজাদার টক আমসত্ব তৈরি হবে যা শিশু বা মেয়েরা খুব পছন্দ করে।


আম দ্রুত পাকাতে চাইলে যা করবেন:

আমগুলো একটি কাগজের শপিং ব্যাগে ভরে নিন। ব্যাগের ভেতরে দশটি আমের জন্য ফরমালিন মুক্ত একটি আপেল/কলা/টমেটো রেখে দিন। কাগজের ব্যাগের মুখটি ভালোকরে বেঁধে দিতে হবে। এগুলো থেকে নির্গত “ইথিলিন” গ্যাস আম গুলোকে দ্রুত পাকাতে সাহায্য করবে। আম ভর্তি ব্যাগটি স্টোর রুমে বা গরম কোনো স্থানে রেখে দিতে পারেন। ০১ থেকে ০২ দিনের মধ্যেই আম গুলো খাবার উপযোগী হবে।


আম দেরিতে পাকাতে চাইলে যা করবেন:

পুষ্ট কাঁচা আম আশ্যাওড়া পাতা বা দাতন গাছ (এক প্রকার শ্যাওড়া পাতা) বা লাউ-কুমড়ার পাতা বা কলা পাতা দিয়ে ঢেকে রেখে দিলে অখবা কুসুম গরম পানিতে ৫-৬ মিনিট ধুয়ে বেশ কয়েকদিন সংরক্ষণ করা যায় ।


আম বেশিদিন কাঁচা রাখতে চাইলে যা করবেন:

লবণ মরিচ দিয়ে মাখিয়ে খাবার জন্য অথবা তরকারিতে ব্যাবহার করার জন্য অনেকে আমগুলোকে বেশিদিন কাঁচা রাখতে পছন্দ করে। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত আমগুলোকে সরিষার তেল মাখিয়ে রেখে দিলে বেশ কয়েকদিন দিন কাঁচা থাকে। এছাড়াও বোঁটা কেটে ফ্রিজে ডিপে রেখে দিলেও অনেক দিন ভালো থাকে।

আমাদের ব্লগ পোস্ট
আম্রপলি আম কেন খাব?

আম্রপলি আম কেন খাব?

আম্রপালি আম আমের একটি জাত। ১৯৭১ সালে এই হাইব্রিড জাতটি উদ্ভাবন করা হয়। ভারতীয় কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী ...

চলুন জেনে নেই গোপালভোগ আমের এত জনপ্রিয়তার কারণ

চলুন জেনে নেই গোপালভোগ আমের এত জনপ্রিয়তার কারণ

আমের মৌসুমের শুরুতে যে আমটির সুঘ্রান আম্রকাননের চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে সেটি হলো গোপালভোগ আম ...

হাড়িভাঙ্গা আম কেন এতো সুস্বাদু,চলুন জেনে নেই

হাড়িভাঙ্গা আম কেন এতো সুস্বাদু,চলুন জেনে নেই

আমটির ‘ইতিহাসের’ গোড়াপত্তন করেছিলেন নফল উদ্দিন পাইকার নামের এক বৃক্ষবিলাসী মানুষ। শুরুতে এর নাম ছিল ....